এম মুহাম্মাদ নাজমুল হক :
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনসহ সমমনা আটটি দলের ঐক্য জোরদার হয়েছে। বিভিন্ন দাবিতে পর্যায়ক্রমে অভিন্ন, যুগপৎ ও সম্মিলিতভাবে আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় এবার নির্বাচনি সমঝোতার দিকে এগোচ্ছে দলগুলো। ‘ইসলামি দলগুলোর ভোট একবাক্সে’ আনার টার্গেটের অংশ হিসেবে সব আসনে একক প্রার্থী ঠিক করতে চায় তারা। এ নিয়ে এরই মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভাগীয় সমাবেশ কর্মসূচি শেষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
তার আগে প্রত্যেক দল মাঠপর্যায়ে নিজেদের প্রার্থীর অবস্থান জরিপ অব্যাহত রেখেছে। কোন দল কত আসনে নির্বাচনে আগ্রহী, তার তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে সবার কাঙ্ক্ষিত সংখ্যক আসন পাওয়া নিয়ে কিছুটা জটিলতার শঙ্কা রয়েছে। তবে বৃহত্তর স্বার্থে সব দলই সর্বোচ্চ ছাড়ের মানসিকতার কথা জানিয়েছেন। সরকার গঠনে বেশিসংখ্যক আসনে জয়ের টার্গেটে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে মাঠের শক্ত অবস্থান এবং শীর্ষ নেতাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
এদিকে আসন সমঝোতার আগে নিজেদের মতো প্রার্থী ঘোষণা করে মাঠে নির্বাচনি তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে আটদল। প্রায় সব দলের শীর্ষ নেতারাই বিভিন্ন আসনে প্রার্থী হচ্ছেন। তাদের মধ্যে ঢাকায় প্রার্থী হতে চান জামায়াতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক ও খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী। ইসলামি আন্দোলনের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম প্রার্থী হবেন না বলে জানা গেছে।
তবে এখন পর্যন্ত প্রায় সব আসনে একাধিক দলের প্রার্থী রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সমঝোতা হলে শেষ পর্যন্ত কোনো প্রার্থী টিকে থাকবেন তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে চলছে নানা আলোচনা। আট দলের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন ছাড়াও রয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি। দলের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আভাস দিয়েছেন।
আট দলের প্রার্থীদের আসন সমঝোতা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আসন সমঝোতার বিষয়ে ঘরোয়াভাবে নানা কথাবার্তা হচ্ছে। আলোচনার একটা পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। প্রত্যেক দল নিজ নিজ ফোরামে এ নিয়ে আলোচনা করছে। এক টেবিলে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
প্রার্থীদের মাঠের অবস্থান জরিপ করছে বিভিন্ন দল। এই জরিপের ভিত্তিতে শক্ত অবস্থানে থাকা প্রার্থীকে প্রাধান্য দেওয়া হবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রত্যেক দল তাদের নিজস্ব উদ্যোগে জরিপ করে থাকে। আমরাও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জরিপ করছি। যার যার দলের প্রার্থীর অবস্থান বোঝার জন্য এটা করা হয়ে থাকে। এসব তথ্য একত্রে নিয়ে বসলে সম্ভাবনাময় প্রার্থীকেই প্রাধান্য দেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বিভিন্ন দলের কাঙ্ক্ষিত প্রার্থী তথা আসন সংখ্যা অনেক বেশি বলে জানা গেছে। এক্ষেত্রে কোনো জটিলতা হবে কি না- জানতে চাইলে গোলাম পরওয়ার বলেন, সবার চাহিদাতো থাকবেই। এটা আলোচনার টেবিলে সমাধান হবে বলে আশা করি।
একই ধরনের মন্তব্য করে ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, বর্তমানে সব দলই তাদের নিজেদের মতো করে নির্বাচনি কাজ করছে। মাঠের গ্রহণযোগ্যতা দেখে একক প্রার্থী ঠিক করা হবে। এক্ষেত্রে আমাদের সর্বোচ্চ ছাড়ের মানসিকতা আছে। জামায়াতেরও একই চিন্তা। ইনশাআল্লাহ আমরা সরকার গঠনের টার্গেট নিয়েই এগোচ্ছি। চার বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংসদ নির্বাচনের ফলে সবার আশা বেড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুফতি মুসা বিন ইযহার বলেন, সর্বশেষ গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত আট দলের বৈঠকে আসন সমঝোতার বিষয়ে খসড়া আলোচনা হয়েছে। বিভাগীয় মহাসমাবেশগুলো শেষ হওয়ার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হতে পারে।
জামায়াতে ইসলামী
এক বছর আগেই সারা দেশে প্রাথমিকভাবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করে জামায়াতে ইসলামী। এদের মধ্যে দলের আমির ও সেক্রেটারি জেনারেলসহ অধিকাংশ শীর্ষ নেতাই রয়েছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এরই মধ্যে জামায়াতের আমির ডা. মো. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৫ আসনে গণসংযোগ চালাচ্ছেন। এছাড়া নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান রাজশাহী-১, ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের কুমিল্লা-১১, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনা-৫, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জ-৪, ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ কক্সবাজার-২, অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল বরিশাল-৫, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম রংপুর-২, সাইফুল আলম খান মিলন ঢাকা-১২, অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ ময়মনসিংহ-৫, মোবারক হোসাইন ঢাকা-১৩, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির মো. নুরুল ইসলাম বুলবুল চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন সিলেট-৬ আসনে আগামী নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন।
ইসলামী আন্দোলন
সব আসনেই হাতপাখার প্রার্থী ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন। তবে শতাধিক আসনে তাদের প্রার্থীদের তৎপরতা বেশি বলে জানা গেছে। কয়টি আসনে সমঝোতার চিন্তা- সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। মাঠ পর্যায়ে জরিপ চালাচ্ছে দলটি। সে অনুযায়ী সম্ভাবনাময় আসনগুলোতেই দলটির প্রার্থী রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সহকারী মহাসচিব অধ্যাপক আহমদ আব্দুল কাইয়ুম।
তিনি জানান, ইসলামী আন্দোলনের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম প্রার্থী হচ্ছেন না। শীর্ষ নেতাদের মধ্যে নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম প্রার্থী হচ্ছেন বরিশাল-৫ আসন থেকে। এছাড়া দলটির নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল আওয়াল খুলনা-৩, সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী ঢাকা-৪, মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ খুলনা-৪, যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান গাজীপুর-৫, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম কুমিল্লা-১, শেখ ফজলে বারী মাসউদ ঢাকা-১১, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুম কুমিল্লা-৩, মুফতি সৈয়দ এছহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের বরিশাল-৪, কেএম আতিকুর রহমান মুন্সীগঞ্জ-১, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিক ঢাকা-৯, স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক আক্কাস আলী সরকার কুড়িগ্রাম-৩ আসনে প্রার্থী হচ্ছেন।
খেলাফত মজলিস
এ পর্যন্ত ২৫৮ আসনে দেয়াল ঘড়ির প্রার্থী ঘোষণা করেছে খেলাফত মজলিস। তবে যেসব আসনে তাদের অবস্থান ভালো, সেগুলো নিয়েই সমঝোতার বিষয়ে জোর দেবে দলটি। এমন তথ্য জানিয়ে দলটির যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আব্দুল জলিল বলেন, আমরা আট দল মিলে সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে আশাবাদী। দেশবাসীও চাচ্ছে ইসলামী দলগুলোর ভোট এক বাক্সে যাক। এটা না হলে তারা আশাহত হবে। প্রার্থীদের অবস্থান জানতে মাঠপর্যায়ে জরিপ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সূত্র মতে, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ প্রার্থী হচ্ছেন হবিগঞ্জ-২ আসনে। এছাড়া মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের হবিগঞ্জ-৪, সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন খুলনা-৪, নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী ঢাকা-১০, অধ্যাপক সিরাজুল হক কুষ্টিয়া-৩ ও মুফতি আব্দুল হামিদ কুষ্টিয়া-২, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন বরগুনা-১, যুগ্ম মহাসচিব মো. মুনতাসির আলী সিলেট-২, ড. মুস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল ফেনী-২, এবিএম সিরাজুল মামুন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে প্রার্থী হতে আগ্রহী। সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম রাজবাড়ী-২, মুহাদ্দিস শেখ মুহাম্মদ সালাউদ্দিন মানিকগঞ্জ-২ ও অধ্যাপক একেএম মাহবুবুল আলম বরিশাল-৫ আসনে, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য লে. কর্নেল (অব.) ডা. এমদাদুল হক ঢাকা-১৭, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম ময়মনসিংহ-১, মাওলানা আহমদ বিলাল মৌলভীবাজার-৩, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রিফাত হোসেন মানিক ঢাকা-১৬, মুফতি আবু সাঈদ কুড়িগ্রাম-৪, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা সাইফ উদ্দিন আহমদ খন্দকার ঢাকা-১৮ এবং কেন্দ্রীয় ওলামাবিষয়ক সম্পাদক শায়খ আলী হাসান ওসামা সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হতে চান।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে এ পর্যন্ত ২৭৪ আসনে রিকশা প্রতীকের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। সবাই নির্বাচনি এলাকায় কম বেশি প্রার্থীরা কাজ করছেন। তবে আট দলের সঙ্গে সমঝোতার বিষয়ে আলোচনার জন্য ১০০টি আসন বাছাই করেছে দলটি।
এ বিষয়ে দলটির মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ জানান, দলের আমির মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হকের প্রার্থিতা এখনো ঘোষণা করা হয়নি। এ বিষয়ে দল সিদ্ধান্ত নেবে। তবে তার জন্য ঢাকা-১৩, ঢাকা-৭ এবং বাগেরহাট-১ আসন খালি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা-১৩ আসন তার বেশি পছন্দ বলে জানা গেছে।
এছাড়া শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দলের অভিভাবক পরিষদের সদস্য মাওলানা আকরাম আলী ফরিদপুর-২, নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহিনুর পাশা চৌধুরী সুনামগঞ্জ-৩ আসনে প্রার্থী হচ্ছেন। মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ শরিয়তপুর-১ আসনে গণসংযোগ করছেন। যুগ্ম মহাসচিবদের মধ্যে মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন কিশোরগঞ্জ-৬, মুফতি শারাফাত হোসাইন ফরিদপুর-১ ও মাওলানা তাফাজ্জল হুসাইন মিয়াজি নোয়াখালী-২, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা হেদায়াতুল্লাহ হাদী কিশোরগঞ্জ-১ এবং মাওলানা ফয়সাল আহমদ ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
খেলাফত আন্দোলন
বেশ কিছুসংখ্যক আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বটগাছ প্রতীকের দল খেলাফত আন্দোলন। আট দলের সঙ্গে সমঝোতার অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। তবে কতটি আসনে তাদের বেশি টার্গেট সে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানান দলটির নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী।
সূত্র মতে, খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী ঢাকা-৭ আসনে প্রার্থী হতে চান। এছাড়া মহাসচিব মাওলানা ইউসুফ সাদেক হক্কানি ফরিদপুর-১, নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ অথবা ৫, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন কুমিল্লা-১, কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মুফতি আব্দুল আজিজ চট্টগ্রাম-৫, কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন বকুল ফরিদপুর-২, যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সি ঢাকা-৫, মাওলানা মাহমুদুল হাসান শরীয়তপুর-২, কেন্দ্রীয় কৃষিবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আনোয়ার উল্লাহ ভূইয়া ফেনী-১ এবং মাওলানা তৌহিদুজ্জামান যশোর-৩ আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
নেজামে ইসলাম পার্টি
বেশ কিছু আসনে নিজেদের প্রার্থী ঠিক করছে নেজামে ইসলাম পার্টি। তবে দলটির আমির নির্বাচন করছেন না। অন্য শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী কক্সবাজার-৩, মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার চট্টগ্রাম-১৬, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী চট্টগ্রাম-১২, সহকারী মহাসচিব মাওলানা মোজাম্মেল হক তালুকদার সুনামগঞ্জ-১, সংগঠন সচিব হাজী আবু তাহের খান ময়মনসিংহ-৩, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সচিব মাওলানা শেখ হোসাইন মো. শাহজাহান ইসলামাবাদী চট্টগ্রাম-২, আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন চট্টগ্রাম-৯ আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)
মরহুম শফিউল আলম প্রধান প্রতিষ্ঠিত জাগপা থেকে প্রাথমিকভাবে সাতটি আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে সমঝোতার ভিত্তিতে এই সংখ্যা কমবে বলে দলটির সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র প্রকৌশলী রাশেদ প্রধান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দলের সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান (রাশেদ প্রধানের ভাই) নির্বাচনের প্রস্তুতি নিলেও কোন আসনে করবেন তা এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না। তবে পঞ্চগড়-১ এবং পঞ্চগড়-২ আসনে নির্বাচন করতে চান রাশেদ প্রধান।
এছাড়া দলের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন দিনাজপুর-৩, প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান মাদারীপুর-২, সৈয়দ মো. সফিকুল ইসলাম নরসিংদী-৩, নিজামুদ্দিন অমিত যশোর-৫ এবং শামিম আখতার পাইলট বগুড়া-৬ আসনে প্রার্থী হতে চান।
বাংলাদেশে ডেভেলপমেন্ট পার্টি
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ফুল কপি প্রতীক) এখন পর্যন্ত দুটি আসনে প্রার্থী ঠিক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মুহা. নিজামুল হক নাঈম। তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চান ময়মনসিংহ-৯ আসনে এবং তিনি নিজে ভোলা-৩ আসনে প্রার্থী হতে চান।
















